দীপাবলি একটি সর্বভারতীয় উৎসব। যার উদ্দেশ্য আলোর রোশনাইয়ে অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটানো। এই উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ হল আতসবাজি। তবে বর্তমানে যে হারে বিশ্ব উষ্তায়ণ বাড়ছে, তার জন্য আমরা প্রত্যেকেই দায়ী। তাই আসুন, দূষণকারী আতস বাজির বদলে স্নিগ্ধ শীতল এল, ই. ডি. আলোর বন্যায় এবার আমরা নিজেদের জীবনকে আলোকিত করে তুলি। এই ক্ষুদ্র প্রয়াস হয়তো আগামী

দিনে বিশ্বের অন্তত কিছু নিন্নভুমিকে

জলমগ্ন হওয়ার থেকে বাঁচাতেও পারবে...

কলম হাতে

ডাঃ অমিত চৌধুরী, ডঃ মালা - মুখাজী, রঞ্জিত মল্লিক, আবদুস সালাম, সমীর দাস, রিয়া মিত্র, অনির্বাণ বিশ্বাস এবং পার্ডুলিপির অন্যান্য সদস্যরা...

প্রকাশনা পাগ্ুলিপি (গল্প, কবিতা, গান, গদ্য

নাটকের আসর) বি.দ্র. লিটল ম্যাগাজিন হিসাবে মুদ্রিত এই পত্রিকাটির প্রথম প্রকাশ হয় ইং ১৯৭৭ সালে...

গুঞ্জন গুঞ্জন গুঞ্জন

মাসিক ই*গ্রিকা

বর্ষ সংখ্যা নভেম্বের ২০২৯

এপ এএ-

0)28110011101

যোগাযোগের ই-মেল %:০0171800591700011010)511911.0010

পায়ে পায়ে

গন শুধুমাত্র গল্প-কবিতা উপস্থাপনের ক্ষেত্র নয়। আমরা এই পত্রিকার মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সমস্যা তার সমাধানের পথ, অজানা তথ্য, বিজ্ঞান, বিনোদন, ভ্রমণ বিবরণ লেখনীর মাধ্যমে প্রকাশিত করি। তাই বলা যায়, “গুঞ্জন'-এর ব্যাপ্তি বহুমুখী “গুঞ্জন এর এই নভেম্বর সংখ্যাটি 'আলোকোৎসব সংখ্যা। দীপের আলোয় ভরিয়ে তুলুন সকল আশার প্রাসাদ। আর দূরীভূত করুন দূষণের করাল ধোঁয়াশাকে।

কারণ গোটা বিশ্বে জলবায়ুর অস্বাভাবিক পরিবর্তনের ফলে আমরা এক জ্বলন্ত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। কিছু দিন আগে এই বিশ্ব উষ্তায়নের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তাবড় রাষ্ট্র নেতা নেত্রীরা গ্লাসগোয় 00 26 সম্মেলনে অঙ্গীকারবদ্ধ হন যে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে কার্বন নির্গমন বন্ধ করে, পানীয় জলের উৎস থেকে শুরু করে, মানুষের সাশ্রয়ী বসবাসের উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। তার সাথে পুনঃনবীকরণযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। অর্থাৎ প্রাচীন যুগের মতো পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জীবন গড়ে তোলা আবশ্যক এই কাজে আমাদেরও এগিয়ে আসতে হবে এবং লেখনির মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মকে সচেতন করে তুলতে হবে।

বিনীতাঃ রাজস্রী দত্ত (নীলাঞ্জনা), সম্পাদিকা, গুঞ্জন বিনীতঃ প্রশান্তকুমার চট্টোপাধ্যায় (পিকে), নির্বাহী সম্পাদক, গুঞ্জন

গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২০

05557

আঠাগায়

রহস্য গল্পের - প্রাপ্তবয়স্ক পাঠকদের জন্য আর একটি অবশ্য পণনীয় গ্রন্থ “রহস্যের: অধ্যায়” প্রকাশিত ১০05555555-757455555959 পিসি আর সেই

রচনা। কলকাতার কলেজ 'অরণ্যমন'এর স্টল

থেকে বইটি সংগ্রহ-করতে ভুলবেন না।

বিলাল বক সুতি অহ,

১০5555১5757 7105757551771575058-5]

পৃষ্ঠা ০২ ৮.

: পৃষ্ঠা ০৫ রী পৃষ্ঠা ০৬ দত

4&, পৃষ্ঠা ১২ 3

পৃষ্ঠা ১৪ পৃষ্টা ১৮ রি চি রঃ ৯৬, রি পি (১

পৃষ্ঠা ২৬

15.

পৃষ্ঠা ৪২ | উ.

১৫০] 0৮৩৫ ব্ব্হ্‌ং

৯৬২: কয রে

১৫টি

ছবির নামঃ গোধুলী ক্ষণে ব্রান্ত...

শিল্পীঃ সোহম মন্ডল + বয়সঃ ১৮ বছর শিল্পীর লিখিত অনুমোদনে গৃহীত। নকল করা নিষিদ্ধ।

১1551501৩51 56175558100

সেই সময়ে

কাকের ছো-এ বাজি উধাও প্রশান্তকুমার চট্টোপাধ্যায় (পিকে)

করে করুণাময়ী মা কালীর পুজো হত। কালীপুজার পর প্রতিপদ ছেড়েই সেখানে হত ভাইফোঁটার অনুষ্ঠান। কাজেই প্রায় একটি সপ্তাহ ধরে চলত আমাদের সব মামাতো, মাসতোত ভাই-বোনেদের ধামাল।

আমার মা-রা ছিলেন ছয় বোন আর চার ভাই। মামার বাড়ির পুজোতে যে এত আনন্দ হত, তার প্রধান কারণ বোধহয় এটাই যে মায়েরা সব ভাইবোন যেমন পুজোতে একত্রিত হতেন, তেমন আমরা সব “কাজিন'-রাও। সৌভাগ্যবশত, আমরা এবং আমাদের সব মাসীরাও কলকাতার আশেপাশে থাকলেও বছরের ওই কণ্টা দিনই আমরা সবাই একসাথে মিলতে মিশতে পারতাম। বাকী সময়ে কখনই তেমন হত না।

আজ ভাবলে অবাক লাগে, কত রকম গল্পই না হত আমাদের মধ্যে কয়েকদিনের অবকাশে। আবার খুনশুটিও কম ছিলনা মেজমামা প্রায় চার-পাঁচটা বড় প্যাকেট করে বাজি কিনে আনতেন, দুর্দিন আগে সেই বাজি সাজিয়ে ছাদে রোদে দেওয়ার ভার থাকত আমাদের বড় তিন ভাইবোনের ওপর সব বাজি ভাগ হবার আগে পর্যন্ত, অর্থাৎ কালীপুজার

গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২০

সেই সময়ে

দিন দুপুর পর্যন্ত, আমরা বারে বারে গুনতাম দোদমা বা চকলেট বন্ষের প্যাকেট ছাদ থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে না তো? এই বাজি উধাও হওয়ার ঘটনাটা নিয়ে আমরা রীতিমত উদ্বিগ্ন থাকতাম। আর ঘটনাটা ঘটার সম্ভাবনা বেড়ে যেত আমাদের ছোটমাসী এসে গেলে। হরিণঘাটা থেকে ছোটমাসী সাধারণত পুজোর দিন সকালেই আসতেন। উনি খুব আমাদের সাথে পাল্লা দিয়ে মিশে যেতে পারতেন। মনে হত যেন আমাদের আর একটা “কাজিন” এসে পড়ল।

আমরা নীচের উঠোনে গল্পে বা কুমীর-ডাঙ্গা খেলায় মেতে গেলেই, কখনও কখনও খবর এসে যেত যে ছাদ থেকে কাকে বাজি তুলে নিয়ে পালাচ্ছে। বড় দুই দিদি তখন মুখ টিপে হাসত। আমি ছুটতাম কাক তাড়াতে কিন্তু কাকের যা নেবার সে তো তখন তা নিয়ে চম্পট দিয়েছে। অবশ্য বেশ কিছু ডিটেকটিভ বই পড়া থাকায়, একে ওকে জিজ্ঞাসাবাদ করে, এখানে ওখানে “সার্চ অপারেশন” চালিয়ে আমি প্রায়ই সেই কাকের গোপন ডেরা থেকে আবার বাজিগুলো উদ্ধার করে আনতাম। যেবার পারতাম না, সেবার সন্ধ্যায় আবার কাক সেই বাজিগুলো ছোটমাসীর হাত দিয়ে আমাকে পৌঁছে দিত, কাজেই সবার অজান্তে আমার বরাদ্দ বেড়েই যেত।

গত বছর কালীপুজোর কদিন আগেই ছোট মাসী চলে গেলেন না-ফেরার দেশে। আবার আসছে কালীপুজার দিনটা, তাই মাকে বলি - মা যেমন ছোঁ মেরে আমার মিষ্টি মাসীটাকে নিয়ে গেছো, যেখানেই রাখো, তাঁকে ভাল রেখো...

গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২০

_নমামি দেবী নর্মদে শিব দুহিতা নর্মদা

ডাঃ অমিত চৌধুরী পঞ্চম পর্যায় (৩)

কিলোমিটার দূরে। আজ ২২শে ফেব্রুয়ারী সকাল প্রায় আটটা নাগাদ এলাম আূর্ষকৃণ্ডে। কিন্তু এটাতো তিন কিলোমিটার দূরত্ব নয়! প্রায় সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার সূর্যকুণ্ড ঘাটের আগে পরশুরাম কুণ্ড। মাতৃহন্তা জমদগ্মী পুত্র পরশুরাম এখানেও কিছুদিন তপস্যা করেছিলেন। সুন্দর বাঁধানো ঘাট স্নানের. উপযুক্ত জায়গা তাই তার সুখ করলাম। এই জায়গাটি নাকি :মধ্যপ্র

তির এগিয়ে গেলাম। সূর্যকৃণ্ডের নায় নিলাম।

_ নভেম্বর ২০২১

_ নমামি দেবী নর্মদে

কাকাজী বিশ্রাম নিলেই রেগে যাচ্ছেন। কারণটা বোঝা যাচ্ছে না।

২২ নং জাতীয় সড়কের নর্মদা পরিক্রমার পথ ধরে আমরা এগিয়ে চলেছি। আশেপাশে যে কয়েকটি গ্রাম পড়ল, সেগুলি ভীষন নোংরা এবং মাছির উপদ্রব। দুপুর দু'টো নাগাদ আমরা গ্রামের পথ ছেড়ে আবার মাঠের পথ ধরলাম। চাষের জমি, খুব ভালো চাষ হয় এদিকটায়। দূর থেকে একটি বিশাল প্রাচীন বটগাছ দেখতে পেলাম। তার নীচে একটি পাঞ্জাবী সাধু বসে আছেন। কিছুটা কাছে যেতে দেখলাম, কুড়েঘর থেকে একটি লোক এসে আমাদের কিছুক্ষণ বসে যেতে বলল আমরা সেখানে বসে পড়লাম। ঠাণ্ডা জল দিয়ে ওরা আপ্যায়ন করল। সঞ্জয় বার বার বলে চলেছে, “মা কি আজ আমাদের নয; একটু ভাত জোটাবেন না?” টা কষ্ট হচ্ছে। এখন প্রায় তিনটে,বাজে। এখনো

_ নমামি দেবী নর্মদে

বিকাল চারটে পনেরো মিনিট। কিছুদূর যাওয়ার পর মাইকে নর্মদার ভজন শুনতে পেলাম। শিবরাত্রি আগত প্রায়। তাই হয়তো এই নর্মদা মায়ের পুজো হচ্ছে। আমরা এগিয়ে চলেছি। হঠাৎ পিছন থেকে একটি লম্বা যুবা পুরুষ আমাদের নর্মদার প্রসাদ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করলেন। যতই সময় নষ্ট হোক এই অনুরোধ প্রত্যাখান করা সম্ভব নয়। বিকাল পাঁচটার সময় আমরা একটি বিশাল নদীর সেতুর উপর এসে পড়লাম। নদীটির নাম তাওয়া নদীর তরে প্রচুর চাষ হচ্ছে দেখতে পেলাম। দেড় কিলোমিটার দূরে এই তাওয়া নদী নর্মদার সাথে মিলিত হয়েছে। গ্রামটির নাম বাঁদরভান।

৪২ ২৬১:১88 রামের পক্ষ নিয়ে রাবণ রধে সাহায্য তাঁদের ৪৮ দল নিরব পু ন্

যা কখনও হয়না বাসী...

05055825055 8597-058 এ] 110005://91%11.1010107911.0017/0091/202818/10105-

০১১)

দীপালোক

আলোর উৎসব গোবিন্দ মোদক

পাবলি হলো আলোর উৎসব পাঁচদিন ধরে চলে, নানান রঙে কত না আলো বাড়ি-লোকালয়ে জ্বলে। শরতকালের কৃষ্তা-ত্রয়োদশীতে ধনতেরাস আসে, তখন থেকেই আলোর উৎসবে দেশবাসীরা ভাসে প্রদীপ, বাতি, মোমের আলো, আতসবাজি কতো, নানা রঙের কতো না আলো জ্বলে যে শত শত। বাংলা-আসাম-ওড়িশা-মিথিলাতে তখন কালীপুজা, লোলজিহ্বা---ভয়ংকরী .. খড়াধারিণী .. চতুর্ভূজা। দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন _ আলোয় ফেরে দেশ, “তমসো মা-জ্যোতির্গময়” - অন্ধকার হয় শেষ। চৌদ্দ-প্রদীপ- জ্বালিয়ে দিয়ে আলোকের আহ্বান, আকাশ, বাতাস, বসুন্ধরার আলোক সুধায় স্নান মালয়েশিয়া বা সিঙ্গাপুর কত যে ব্যাপ্তি তার!

শুক্লা দ্বিতীয়া তিথি এলেই আলোর উৎসব শেষ, তবুও তো দেশজুড়ে তার _ রেখে সে যায় রেশ।।

চিঠি ইউসি টি » চিট শট রর রা শি নিউ ডি «37 ] রঃ টা রঃ 2 / র্‌ ৪) 1৩ £ 2০184 পু লা ১৪ ৮12 1 2 রশ রি ঢু ঢু ঢু ঢু ডি

রা

৬৪)811৮187811161571067158811 ৯১৯২ গুঞ্জন _ নভেম্বর ২০২০

সবিনয় নিবেদন

“গুঞ্জন” কেমন লাগল তা অবশ্যই আমাদের জানাবেন। আর 055527-877555057905534 টো তির তি িগাতিটি রি ন111025 (0৮450771৮৮5 একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবিও অবশ্যই থাকা চাই - সাইজঃ ৩৫ 1001 (চওড়া) % ৪৫ 117 (উচ্চতা); রিসল্যশনঃ 300 টা 15554751255] অবশ্যই আপনার নিয়মিত উপস্থিতি একান্ত প্রার্থনীয়। তবে ৮৮510555555555555508

টস্‌ঃ মং রগ, জান কি (ও

এলি: -. গ্রে

বিদ্র.: কুলুপ ১৫ই নভেম্বর, ২০২১

বিপত্তি

সমীর দাস

মাচলে কিন্নর দেশে যাওয়ার ইচ্ছা বহুদিনের এবার বেরিয়েই পড়লাম, প্রথমে যাব কল্পা। দিল্লী থেকে বেরোলাম দুপুর দু'টো নাগাদ। এক দৌড়ে

যাওয়া যেত, ১৮-১৯ ঘন্টার রাস্তা, কিন্তু পা রাস্তার কথা ভেবে ঠিক করলাম সিমলার কোথাও এক রাত্রি কাটাব।

দত ব্যপার এন এগোতে রা

|) ঘুসসি মুময়ে | নেওয়া যাক।

গুঞ্জন _ নভেম্বর ২০২১

বিপত্তি

আকাশের দিকে নজর যায়। তারায় তারায় ভরা সে এক অপূর্ব দৃশ্য, বহুদিন এমন তারকা খচিত আকাশ নজরে আসেনি। একটু চেষ্টা করে সপ্তর্ষিমন্ডল দেখতে পেলাম মনে হল। হঠাৎ দেখি কেউ একজন এদিকেই আসছে। আমাদের দেখে বেশ অবাক সব কথা বলতে, অভয় দিয়ে কোন দিকে চলে গেল বুঝলাম না। কথাবার্তায় এখানকার কর্মচারী বলেই মনে হয়েছিল। . তি পঞ্চ কখন চোখ লেগে গিয়েছিল নিন

বিপত্তি

ভিতরে কাঁপুনি আসে। এদিকে দু'পাশের হিমালয় এখন অপরূপ। কিছুক্ষণ পড়েই সে দৃশ্যাবলী উপভোগে মন চলে গেল, তবুও ব্যাপারটা মাথা থেকে পুরোপুরি যাচ্ছিল না। দুপুর নাগাদ কল্লা পৌছলাম। ভরদুপুর, তবুও নানাভাবে যাচাই করে, তবেই হোটেল-এ টঢুকলাম। সত্যি বলতে আজও কোন হোটেলে ঢোকার আগে খোঁজ খবর নিই আগে ফেরার পথে, নাড়কান্ডায় ড্রাইভার কিছুতেই সেই হোটেলে যেতে চাইছিল না। দিনের বেলা, তাই আমারও গোঁ ধরে গেছিল, হাঁটু হোটেলেই গেলাম সেই রাস্তাতে। দিনের বেলায়, এটি রাতে যাওয়া সেই রাস্তা কি না চিনতে পারছিলাম না। কিন্তু হোটেলে পৌঁছে নিশ্চিত হলাম হোটেল সে রাতের হোটেল নয়।

| অতিথিতে ভরা হোটেল, বুকিং ছিল, তবুও নিশ্চিত হয়েই

ঘর তা, ম। কোন অস্বাভিকতা নজরে আসেনি নানা ভাবে

১৬ গুঞ্জন _ নভেম্বর ২০২১

টিহী ৩৩০০০ ) ১৯০ করি ৮০৭ &

৬৭ টি টয়া ৭» হ্ব্ৎ ৯০] 0 ওটি ] ছা ৮০ টি ০৬

তক] টা 0০৮০ টি, ৯১৭ | রে হট টি

আহ রন চর 2 সি 4)

নি উঃ ি ১টি সি সি

টি শুঞ্জন 58 8 পালে

টং” ৩21 আস বান কল ছা পন বাপ বান্না কাক সাউতা, আসা চক্রোম্পাস্রাছ, ন্লিযাজী রয়াল নিলা, জাগা বারা নাছ এলাঃ পাশিক এলি কফ প্াস্কাঞ্া

খঙ্িশি শ্জে জারির, গার, শা

1100://0171110.11110101171.00 1100://01011179.0111011101015.00 10/035101/0100/ 10/035101/2075/

10100:/ /011119.01121711115.00 1100://01011179.0111011101115.00 10/055101/101710/ 11/05510/105]/

11000://01011179.011]01100115.00 1010100://011]1119.111101107115.00 10/055101/121010/ 10/055101/00173/

90০5৮150585, বাংলা অনলাইন সাহিত্য পত্রিকা “গুঞ্জন'এর ২০১৯

মা প্রকাশিত সব সংখ্যাগুলির [0://01011102.0111011100115.00 10/090101/0155/ চা পুনরায় দেওয়া হল।

রগ বুস্স্পা: আ্রমনুস্্স্া সস নদ সন 7... ভী৬ন:1৬ন উন তান»

সংযোগ

সরমা পিসির গল্প দোলা ভট্টাচার্য

রমা পিসির জীবনের গল্পটা খুবই কষ্টের। যাকে ভালোবেসেছিলেন, তাকে বিয়ে করতে পারেননি সরমা পিসি আমার আপন পিসি নয়। ওনার সাথে কেউ আমার পরিচয় করিয়ে দেয়নি কখনও তবু পরিচয় হয়ে গেছে। আমার বাপেরবাড়ির পাড়ীতেই থাকতেন উনি। ওনার মেয়ে শিবানি ছিল আমার সহপাঠী আমার বিয়ের পর থেকেই সরমা পিসির সাথে আর যোগাযোগ ছিল না। আজ এতদিন পর সরমা পিসির সাথে এইভাবে দেখা হবে ভাবিনি কখনও দেখেছিলাম একদিন। তখন নাইন কি টেন-এ পড়ি। মা বলেছিলেন, বাবার ছোটবেলার বন্ধু উনি। সেদিন আর কোনো প্রশ্ন জাগেনি আমার মনে বাড়িতেও সরমা পিসিকে নিয়ে কোন আলোচনা শুনিনি কখনও কিন্তু আলোচনা হতো বোন, একদিন আমায় বলল, একটা কথা শুনলাম জানিস, আর শুনে আশ্চর্য লাগল খুব বললাম, “কি শুনেছিস?” “এই, মেজ জেঠমণি নাকি প্রেম করত পাড়ার সরমা

১৮ গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২০

সংযোগ

পিসির সঙ্গে, খুব যেন গোপন কথা বলছে, এমনভাবে কথাগুলো বলল শ্রেয়া।” বললাম, “কোথা থেকে শুনলি তুই!”

“আরে! কাল মা, বড় জেঠিমণি আর ছোট পিসিমণি আলোচনা করছিল। বাবার সাথে সরমা পিসির কি সম্পর্ক ছিল আমি কিছুই জানিনা না।”

শ্রেয়া বলল, “দূর, ওরা মিথ্যে বলবে নাকি। সম্পর্ক নিশ্চয় কিছু ছিল।” বললাম, “থাকতেই পারে। যেমন তোর আছে রজতের সাথে। কিন্তু রজতের সাথে তোর বিয়ে নাও হতে পারে সহসা টুপ করে গেল শ্রেয়া।” বুঝলাম, ওর খুব দুর্বল একটা জায়গায় আঘাত করে ফেলেছি। ঘটনাটা সম্পূর্ণ জেনেছিলাম, আমার মায়ের শ্রাদ্ধবাসরে। সেদিন আমার বড়জেঠিমণি সবার সামনে বলেছিলেন, সরমার অভিশাপ লেগেছে। যে সংসারটা সরমার হতে পারতো, সেই সংসার হল রীণার। তাইতো ওকে অকালে চলে যেতে হল। শুনে স্তস্তিত হয়ে গিয়েছিলাম। শোকের পরিস্থিতি খানিকটা দিনে বড় জেঠিমণি এমন কেন বলল?” কিছুক্ষণ চুপ করে থাকার পর বাবা বলল, “আমি আর সরমা, একে অপরকে খুব ভালোবাসতাম। আমরা ঠিক করেছিলাম, বিয়ে করব। আমি তখন চাকরি পেয়েছি সবে। আর সরমা কলেজে পড়ত। আমাদের মেলামেশার কথা দুই বাড়ির সবাই একসময়ে জানতে পারল দুই বাড়ি থেকেই উঠল প্রবল

গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২১ ১০

সংযোগ

আপত্তি। কারণ, সেই পুরোনো বর্ণভেদ। আমরা ব্রাহ্মণ আর ওরা বেশ্য।

সরমাকে জোর করে অন্য একজনের সাথে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হল। ওর বিয়ের আগের দিন শেষ বারের মতো একবার দেখা করেছিলাম আমরা, গোপনে কান্নায় ভেঙে পড়েছিল সরমা। বলেছিল, গৌতম দা, জীবনে না হলেও, মরণে আমাদের মিল ঠিক হবেই দেখো বিয়ের চার বছর পর শাখা সিদুর ঘুচিয়ে, একমাত্র শিশুসন্তানকে নিয়ে সরমা এখানে ফিরে এসেছিল শুরু হয়েছিল যন্ত্রণাময় জীবন- যাপন। একই পাড়ায় বাস করলেও, আমরা কিন্তু কেউ কারও সাথে যোগাযোগ রাখিনি। তোর মাকে আমি কোনোদিন অসম্মান করিনি। তবে আমাদের বৌভাতের দিন এই সমস্ত কথা তোর বড়জেঠিমণি তোর মাকে জানিয়ে কিরকম ছিল?”

বাবা বলল, “কিরকম আর হবে। তবে আমি তোর মাকে কথা দিয়েছিলাম, কোনদিন কষ্ট দেব না তাকে আর সেও যেন আমাকে কখনো অবিশ্বাস না করে। আমি কথা রেখেছিলাম তোর মাও আমাকে কখনো অবিশ্বাস করেনি ।” আমি জিজ্ঞেস করলাম, “মাকে ভালোবাসতে পেরেছিলে বাবা?” বাবা চুপ করে রইল, উত্তর দেওয়ার আর দরকার ছিল না। এটাই স্বাভাবিক। একটা কথা খুব মনে হচ্ছিল,

২০ গুঞ্জন _ নভেম্বর ২০২১

সংযোগ

ভাবছিলাম, একটা মানুষের ওপর কতটা আক্রোশ থাকলে, তবে তার শ্রাদ্ধবাসরে এমন কথা বলা যায়!

ঘাটের সিড়িতে একাই বসে আছি চুপ করে। মনটা অতীতে চলে যাচ্ছে বারবার প্রায় দশ বছর আগে চলে গেছে মা। আজ বাবাও চলে গেল আমাকে ছেড়ে বাপের বাড়ি বলতে আমার কিছু রইল না আর। আজ দুপুর দু'টো নাগাদ ম্যাসিভ আটাক হয় বাবার খবর পেয়েই চলে আসি আমি। হাসপাতালে নিতে নিতেই সব শেষ। তারপর থেকেই যন্ত্রের মতো ঘুরে যাচ্ছি। এখান থেকে ওখান, ওখান থেকে সেখান। সবশেষে এই শ্মশান। আমি যেহেতু বাবার একমাত্র মেয়ে, বাবার শেষ কাজটাও আমাকেই করতে হবে। জেঠুমণি, আর কাকুমণি, দুজনেই চেয়েছিল বাবার মুখাগ্নি করতে আমি দিইনি। বাবা অসুস্থ অবস্থায় পড়ে ছিল কতদিন। কেউ দেখতে অবধি আসেনি বাবাকে এমনকি, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়েও পাড়ার ছেলেরাই সাহায্য করেছে। শ্মশানবন্ধুও ওরাই। বিমান, আমার স্বামী সেও তো দিল্লিতে খবর দিয়েছি ওকে। জানিয়েছে আজই ফিরছে। ছেলেটাকে শাশুড়ির কাছে রেখে আমি একাই এসেছি।

এখানে ইলেকক্রিক চুল্লী নেই। কাঠেই শবদাহ করা হয় এখনও শ্বাশানেও কোনো আলো নেই। শ্মশানে ঢোকার মুখটায় রাস্তার ওপর শুধুমাত্র একটা লাইট পোস্ট রয়েছে।

গুঞ্জন _ নভেম্বর ২০২১ ৮৯

সংযোগ

এই আলোকিত অঞ্চলটা পেরোলেই অন্ধকারের রাজত্ব তাই ভয়ই লাগছিল একটু।

এই প্রথম আমার শ্বশান দর্শন। মায়ের সময় বাবাই এসব কাজ করেছিল। মুখাগ্নির পর বাবার শরীরটা যখন সম্পূর্ণ অগ্নিগ্রাসে চলে গেল, নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলাম না। ভেঙে পড়লাম কাম্নায়। সেই মুহূর্তে যে আমার পাশে এসে দাঁড়াল, সে বিমান। ওখান থেকে আমাকে সরিয়ে নিয়ে এল ঘাটে বিকেলের ফ্লাইট ধরেই চলে এসেছে ও। সেই থেকেই বসে আছি এখানে ঘড়িটা দেখলাম, সাড়ে নস্টা বাজে। এখনও সময় লাগবে কিছু বিমান এখন উঠে গিয়ে বসেছে পাড়ার ছেলেগুলোর কাছে। একলা হতেই মনটা হু হু করে উঠল আবার। চোখের জল বাঁধ মানছে না। হঠাৎ অনুভব করলাম, কেউ যেন আমার পিঠে আদরের হাত বোলাচ্ছে। অবাক হয়ে তাকালাম, “ওমা! কে ইনি! কখন এসে বসলেন এখানে!” শুরুপক্ষ চলছে। দুদিন পরেই পূর্ণিমা। উজ্জ্বল চাঁদের আলোয় দেখতে পেলাম, সরমা পিসিকে, বসে রয়েছেন আমার পাশে। বাতাসে উড়ছে পিসির দুধসাদা শাড়ির আঁচল। “ওমা! সরমা পিসি! তুমি! কখন এলে?”

“এই তো, একটু আগে কানে শোনার পর আর থাকতে পারলাম না। চলে এলাম।”

“ও মা, এত কাঁদিস না রে। এখানে বসে অমন কাঁদতে নেই। অমঙ্গল হয়। কাঁদিস না আর। কি করবি বল? মানুষ

২২ গুঞ্জন _ নভেম্বর ২০২১

সংযোগ

তো মরবেই। সময় হলে তাকে যেতেই হবে। এই তো বিধির নিয়ম রে মা।” সরমা পিসির কাঁধে মাথা রেখে বসে ছিলাম অনেকক্ষণ। কি সুন্দর মা মা গন্ধ সরমা পিসির গায়ে। এই গন্ধটা অনেকদিন পাইনি। ডুবে ছিলাম গন্ধটার মধ্যে। দূর থেকে শুনতে পেলাম বিমান ডাকছে, “রিয়া, হয়ে গেছে। চলে এসো এখানে ।” সরমা পিসিকে বললাম, “চলো, ওরা ডাকছে ।”

পিসি বলল, “এসব কাজ আমি দেখতে পারি না বাপু। তুই যা দেখি। আমি আর একটু বসি এখানে ।”

গোল ঘরটার মধ্যে তখন আর একটা চিতা জ্বলে উঠেছে। ঘরটার বাইরে প্রবেশ পথের কাছে আর একটা ডেডবডি লাইনে রয়েছে। জ্বলন্ত চিতাগ্নির আভা পড়েছে মৃত মানুষটির মুখে। বাবার অস্থিটুকু নিয়ে বেরোবার সময়ে চোখ পড়ল সেদিকে চমকে উঠলাম। কাকে দেখছি আমি! এই মানুষটিই তো ঘাটে আমার পাশে বসেছিল। এই মানুষটির গায়ের মা মা গন্ধের মধ্যেই তো এতক্ষণ ডুবেছিলাম আমি। আর একটু এগিয়ে খুব কাছে গিয়ে ওদের। এইভাবেই বুঝি কথার দাম দিতে হয়! আমার চোখ থেকে ঝরে পড়া জল ভিজিয়ে দিচ্ছিল সরমা পিসির কপাল। মনে মনে বললাম, ভালো থেকো পিসি। ভালো থেকো তোমরা রর

গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২১

ক্যের আডিনায় অলীক পর্দা ওড়ে ছায়া পড়ে দিনান্তের আডিনায় 82777 পি আর দরজায় ভালোবাসার বারা ১4 ছায়া যুদ্ধ চলে, সংকটের নৌকা ভাসে স্নিগ্ধ জলে / ঠা: সা ] আত্মসমর্পণ ডানামেলে উড়ছে।

40177177158

| বিধ্বস্ত টা হু যার গ্যালারি: ডু ৬. রি কহ বোবে ঝোন বাং কারো হাসি-আ ১1০ |

প্রকাশিত সংখ্যা - ২০২০

17000://0101109.01101700115.00100/055

চারা

17000://0101179.01101700015.00107/055 101/101)%/

17010://0101179.01101700115.00107/055 1,

17000://0171109.01101701715.00107/055 101/0905/

170105://0101179.01101700115,00107/05

110105://0101179.01101700115.00107/05 514/1০//

170005://017117.01101707115.00107/05 510/০10/

উন নী

170105://0101179.01101700115.00107/05 517/555৬/

170005:// 001176:070110015,0917/ 093 51/11057/

170105://0101179.01101700115.00107/05

517/510117/

110105://010111০.011)1700115.00107/05

চাচা,

8161718৮211 71591115 18511 শতত41। 955101/111/0/

০455, চ0-05 পত্রিকা 'গুঞ্জন'এর ২০২০ তে 40151510501 ই-লিহ্ক এখানে দেওয়া হল।

পরল

ব্যাপ্তি

শৃণ্যতা

অনির্বাণ বিশ্বাস

হয়তো বা ভূলে গেছো পুরোনো-জীর্ণ স্মৃতি। ভুলে যেতে হয় বা ভুলে গেলেই হয়তো-বা মেলে মুক্তি! নাহলে পুরোনো শহরে ঘুরে মরে কি-ই বা পাবে? কিংবা তুমিই হয়তো এখন শুধুই ফ্রেমে বাঁধানো দেওয়ালের একটুকরো অতীত! নিভে যাওয়া তারার মতো নিভে গেছো তুমিও চিরতরে ভাঙা প্যাণ্ডেল বা বিসর্জনের মূর্তির কি-ই বা মূল্য পৃথিবীতে? ভাটার গভীর টানে আজ তুমি ভেসে চলেছ মহাসিন্ধুর পরপারে ঘাটের দিকে দৃষ্টিতে কি-ইবা লাভ? সে তো ঝাপসা হতে হতে মিলিয়ে যাবেই চিরতরে আপনের স্মৃতিপটেও পড়বে সময়ের ধুলো আর তাতেও আজ না হোক ভবিষ্যৎ বুনবে নৃতনত্ব মাকড়সার জালেরই মতো। জাগতিক বাস্তবতাকে কার সাধ্য করে উপেক্ষা? ২৬ গুঞ্জন _ নভেম্বর ২০২১

ব্যাপ্ত

যদি পরজন্ম বলে কিছু থেকে থাকে

জগতকে ভরিয়ে দিও তোমার কর্মের সুগন্ধে আবারও নতুন করে বেচো - পুরোনো যাতনা ভুলে। হও নবরূপকার ভবিষ্যতের

থেকো মানুষের পাশে বন্ধু হয়ে

মুছে দিয়ে মানুষের অশ্রু-শৃণ্যতা

কোরো নবসৃষ্টির সুচনা-নবরূপে

আবারও --নব আবেশে ।। চর

1/010112 140: +9179809878804

গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২০

২৭

জয়ী

কবিরুল (রঞ্জিত মল্লিক)

ডিতে ঢুকতে ভীষণ ভয় করছে রে। সবাই এতক্ষণে ঘটনাটা জেনে গেছে।”

“তা জানুক। তুই তো একটা যোগ্য জবাব দিতে পেরেছিস। সমাজ, পরিবারকে একটা ম্যাসেজ পাঠালি। যেটা আরো অনেক লড়াকু মেয়েকে অনুপ্রাণিত করবে ওদের পরিবারে হাসি ফোটাবে।”

“দেখবি সব ঠিক হয়ে যাবে। মেজমণির কথাটা একবার ভাববি না?” দুর্দিন পরেই গোধুলি থমথমে মুখে পাড়াতে ঢুকল সবে সন্ধ্যে নেমেছে আবছা আলোতে দেখতে পাচ্ছে দু'চারজন তার দিকে কেমন তীর্যক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। অনেকের বাঁকা মন্তব্য কানে আসছে। সংসার করবি, তা না ফুটবল নিয়ে নেচে বেড়ান।”

“এখনকার বাড়ির বৌরা বড্ড বেপরোয়া নিজের স্বামী, শ্বশুরদের চোখ রাঙানিকে অতটা পাত্তা দেয়না ।”

বাড়িতে পা ফেলতেই সে দেখল দাদু যমের মতন দাঁড়িয়ে

২৮ গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২১

জয়ী

আছেন। গোধুলি ট্রফিটা রেখেই দাদুকে প্রণাম করল। “সব কিছু ঠিকমত হয়েছে তো? কোন অসুবিধা হয়নি?”

“না দাদু”

“ওকে এবারে একটু বিশ্রাম নাও। আর শোন, খেলার পাশাপাশি. সংসারটাও মন দিয়ে করতে হবে।” দু'জনের কথাবার্তার মাঝে ছোটকামণি এসে পড়েছে। দাদুর চোখ ছলছল করছে। ছোটকামণির চোখ বেয়েও নামছে -অতি ক্ষীণ কংসাবতীর শ্রাবণী পূর্ণিমার ভরা কোটাল।

ছোটকামণি গোধুলিকে মেজমণির ঘরে নিয়ে গেল। মেজমণি ্রফিটা দেখেই লাফিয়ে উঠল,”আমি জানতাম তুই পারবি। এই খেলা নিয়ে সবুজের সাথে তোর কম অশান্তি হয়নি। আমিই ওকে সব বুঝিয়ে রাজি করিয়েছি।”

“ওভাবে বলছ কেন? তুমিও কম করোনি আমার অনুপ্রেরণা! আজ তুমি না থাকলে...”

“না রে পাগলি! তুই সবটা জীনিস না। পরে বলব ।”

রবিবারের দুপুরবেলা বাড়িতে সবাই একসাথে বসে খাচ্ছে। সবুজের মুখে উপচে পড়ছে খুশীর রোদ্দুর বাড়ির বৌমা আজ ফুটবল ম্যাচে চাম্পিয়ান হয়েছে সাথে উওম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্ট। টিভিতে, পেপারে: ছবি বেড়িয়েছে। সকলেই তৃপ্ত।

মেজমণি গোধুলিকে বড় জ্যেঠিমণির ঘরে নিয়ে গেল। ঘরটা বন্ধই থাকে উনি মারা যাবার পর থেকে। চাবি দিয়ে

গুঞ্জন _- নভেম্বর ২০২১ ২৯

জয়ী

ঘরটা খুলতেই নিয়ন আলোতে ঝলমল করে উঠল ঘরটা গোধুলি ট্রফিটা জ্যেঠিমণির ছবির সামনে রেখেই অঝোরে কেঁদে উঠল। সবটা শুনেছে। মেজমণি ওকে সব বলেছে।

একটা সময়ে জ্যেঠিমণি দাপিয়ে ফুটবল খেলত। বিয়ের পরও খেলেছে। শ্শুড়বাড়িতে এই নিয়ে কম অশান্তি হয়নি। পরে সংসারের চাপে পড়ে খেলা ছেড়ে দিতে হয়। সেই থেকে যাবতীয় ফুটবলের সরঞ্জাম জার্সি, বুট জোড়া, ফুটবল, মেডেল, ট্রফি একটা ট্রাঞ্কে বন্দি রেখে নিজের বুকের খাঁচায় জ্বলে ওঠা “ভিসুভিয়াস” এর আগুনকে থিতিয়ে দিয়েছিল। চোখের জলের দু'ফোঁটা নোনা পানি সেই আগুনের আচেও পড়েছিল। তবে শেষ হয়ে যায়নি।

খেলা ছাড়লেও ফুটবলের প্রতি ভালবাসা ছেড়ে চলে যায় নি। সময় পেলেই নিয়ম করে টিভিতে ফুটবল ম্যাচ দেখত। তাও দরজা বন্ধ করে মাঝে মাঝে লুকিয়ে বাপের বাড়ির যাবার নাম করে কলকাতার ময়দানে বড় ম্যাচ দেখে আসত। একবার ধরাও পড়েছিল শ্বশুড়ের চোখে পরে বাড়ির আর এক বৌমা, মেজমণি ঝরণা নিজে ভাল স্ট্রাইকার হয়েও শ্বশুড়বাড়িতে এসে খেলা, ছেড়ে দেয় সংসারের মায়ায় পড়ে। নিজের কষ্টগুলো, লড়াই করার অদম্য বাসনা, গোলের খিদে, জার্সি, বুটজোড়ার. মতন ্রাঙ্কবন্দি করে রেখেছিল। ঠিক বড়জা-এর পথ ধরেই... অলিন্দের ছোট্ট.কুঠুরিতে টিম টিম করে জেগে থাকা

৩০ গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২১

জয়ী

বহু বছর পরে গোধুলি এই বাড়ির নাতবৌ হয়ে. সব সমীকরণ ভাঙ্গল। ওর জেদ, দাপুটে চলাফেরা, হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম খুলে দিল -ঝরণার মনের বন্ধ দরজা ওর মধ্যে নিজেকে. দেখতে পেল। বুকে হাত দিয়ে অনুভব করেছিল “ভিসুভিয়াস” আত্মার মতন ওর শরীর ছেড়ে গোধুলির শরীরে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। খুব খুশী হয়েছিল সেদিন। শিলিগুড়ির কাঞ্চনজজ্ঘা স্টেডিয়ামে ওর দু" পায়ের শিল্প দেখেছিল। বুঝেছিল গোধুলি পারবে। সব অপমানের জবাব দিতে অতি ক্ষুদ্র আগ্নেয়গিরির আঁচকে বাচিয়ে রেখেছিল তিল তিল করে গড়ে-তোলা পায়ের জাদুতে। সেদিনের মাঠের চিৎকার, জয়ধ্বনি, আবেগ একটু একটু করে খুলে দিচ্ছে বহু দিনের পুরানো জং ধরা বন্ধ ট্রান্কটা। যেখান থেকে জমানো বেদনা, চাপা গড়া কান্না, পুরানো জার্সি পরে গলায় মেডেল ঝুলিয়ে কাপ হাতে বেরিয়ে “এই দ্যাখো, আমি পেরেছি। তোদের শত বঞ্চনা আমাকে থামাতে পারেনি। বরঞ্চ উৎসাহ জুগিয়েছে।”

গোধুলির সোনালী ট্রফিটাই শুষে নিচ্ছে বন্ধ ঘরের সব অন্ধকার ট্রফির স্বর্ণালী আভা একটু একটু করে মরচে ধরা ট্রাঙ্কের- উপর বাটিক প্রিন্টের জ্যামিতি আকছে। “ভিসুভিয়াস' এর লাভা যেন গলে গলে পড়ছে।

গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২১ ৩১

জয়ী

বহু দিনের পুরানো শুকিয়ে যাওয়া রজনীগন্ধার মালাতে, ধুলোর চাদরে অযত্তে লালিত বড় জ্যেঠিমণি জয়ারাণী ফটো ফ্রেমের আড়াল থেকে যেন শুনতে পাচ্ছেন গোধুলির সেই হাড় হিম করা ম্যাচের চিৎকার তার হর্ষ ধ্বনি _ “বলটা একটু দেখে খেলিস.. দিকটা ফাঁকা হয়ে গেল... গোধুলি! গোধুলি... গোওওওওওওওল...”

8৮, ৯৫এরা আমার সহকর্মী আমি তাদের সাথে বা? রি মাস্ক ছাড়াই কথা বলতে পারি।

৯৫ এরা আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু তাদের সাথে 2 ৮.9] ০8 মাস্ক ব্যবহার শারীরিক দূরত্ব ি* বজায় রাখার প্রয়োজন নেই।

৯৫ উনারা আমার আত্মীয়, তাদের সাথে 50158150075-75081755705705

০510-0550574508515550157 ০1015557079

৩২ গুঞ্জন _ নভেম্বর ২০২১

দুই প্রজন্মের দর্শনের ওপর ভিত্তি করে, বর্তমানের কিছু চিত্র শুধু ভাষার মাধ্যমে একত্রে উপস্থাপন করেছেন দুই প্রজন্মের দুই কবি। আধুনিক কবিতা প্রেমীদের জন্য একটি অসামান্য কবিতা সংগ্রহ। প্রাপ্তিস্থলঃ 1) ৬/৬/৬/.0101-911.০017 (5981:011 % ০005: 0001-100)0171161-1-90599911)

2) 1711911: 001718000917001111)10)5111911.00177

বোধি

দীপদান ডঃ মালা মুখাজী

ঞ্€ রে তোরা শুনছিস,” ষাট বছরের প্রৌটা মহারাণী অন্দরমহলে হাঁক পাড়লেন, “সে ফিরছে রে, সে ফিরছে। তোরা আজ দীপের মালায় আলোকিত করবি প্রাসাদের প্রতিটা বারান্দা, একটি কোণাতেও যেন অন্ধকার না থাকে। তোদের রাণীর গলায় খুশী যেন আর ধরে না। তিনি যতটা তাড়াতাড়ি পারেন ছুটে চললেন পুব্রবধূর মহলে। সেই হতভাগিনী আজ বারো বছর প্রাসাদে দীপ জ্বালায়নি, প্রতিজ্ঞা করেছিল, স্বামী না ফিরলে আলো ভ্বালাবে না, দেখবে না কারোর মুখ। আজ অন্তত সেই হতভাগিনী নিশ্চয় দীপ জ্বালাবে। দাসদাসীরা সসব্যস্ত হয়ে সরে গেল। যে বন্ধ কপাট কোনো এক অভিশপ্ত রাতে বন্ধ হয়েছিল, তা রাণীমার এত বছরের চেষ্ঠাতেও খুললো কই? বৃদ্ধ পিতার অনুরোধ, দুগ্ধপোষ্য শিশুর কান্না, কোনো কিছুই তার পাষাণীহদয় গলাতে পারল কই ? রাণীমা দোরে করাঘাত করলেন, “যশো, মা আমার, দরজাটা খোল,” ওপার থেকে কোনো উত্তর এলো না। ৩৪ গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২১

বোধি

“মন্ত্রী উদীয়ান সংবাদ এনেছেন, তিনি রাজগৃহে আছেন। মহারাজের অনুরোধে কার্তিক অমাবস্যায় ফিরবেন। এবার তো দরজা খোল মা...”

স্বর্ণনির্মিত দরজাটি ভিতর হতে খুলে গেল। রাজকুমারী যশোধরার সর্বক্ষণের দাসী বেরিয়ে এল, “হে মহাপ্রজাপতি, রাজকুমারী জানতে চান যুবরাজের আগমন সম্বন্ধে।”

মহাপ্রজাপতি গৌতমী এক প্রকার ছুটে এলেন ঘরে। তাতে তিনি দেখলেন রেশমের দুপ্ধফেননিভ রাজশষ্যা খালি, মাটিতে চাদর বিছিয়ে এক কৃশকায় নারী বসে আছেন, পরণে চীবর।

“যশোধরা!” গৌতমী ককিয়ে উঠলেন। নিজের ভ্রাতুষ্পুত্রী এই যশোধরাকে তো তিনি চেনেন না। আজ থেকে চোদ্দ বছর আগে যে সোনার পুত্তলিকে পুত্রবধূ করে এনেছিলেন, সে ছিল রজকন্যা যশোধরা। তো পরম যোগিনী!

“এসো মা,” যশোধরা সম্বোধন করলেন।

“তিনি যদি এই হতভাগনীকে মনে রাখেন, যদি তিনি দেখা করেন তবে আমিও তাঁকে জিজ্ঞেস করবো কোন সত্যের সন্ধানে তিনি তরুণী ভার্য্া আর দুপ্ধপোষ্য শিশুকে রেখে সন্াস নিয়েছিলেন? কার দুঃখ মোচনের জন্য তিনি ঘরের লোকের দুঃখ উপেক্ষা করলেন?” যশোধরা

গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২১ ৩৫

বোধি

কান্নাভেজা গলায় বললেন।

“তাই করিস মা,” গৌতমী বললেন, “আমি তোকে কথা দিচ্ছি আমি তাকে তোর কাছে আনবোই আনবো।” বলে সোনার চিরুনী হাতে নিয়ে দাসীকে বললেন সুগন্ধী তেল আনতে। যশোধরাকে আবার তিনি সোনার প্রতিমা বানাবেন।

“জানিস তো মা, সিদ্ধার্থের আগমনে কাল কার্তিক অমাবস্যায় দীপদান উৎসব হবে কপিলাবস্তুতে। সে আসছে, সঙ্গে পঞ্চাশজন শিষ্য।” গৌতমী মানসচক্ষে পুত্র সিদ্ধার্থকে কল্পনা করলেন।

সেই কোন শিশুকালে জ্যেষ্ঠা ভগিনী মহামায়া স্বর্গে গেছেন, তারপর থেকে কোলেপিঠে করে বোনের ছেলেটিকে মানুষ করেছেন, মহারাজ শুদ্ধোধনের অন্তঃপুরের সব দায়িত্বও একা হাতে সামলেছেন, তাই ছোটো থেকে একটা ভয় ছিল ছেলেকে নিয়ে। রাজজ্যোতিষি মহারাজকে বলেছিলেন, “কুমার সিদ্ধার্থ একদিন সন্ন্যাসী হয়ে যাবেন, তাই দুঃখ-কষ্টের কোনো দৃশ্য যেন তাঁর চোখে না পড়ে।" রাণী গৌতমীই তো অন্তঃপুরটি একদম সিদ্ধার্থের মনোমত করে গড়েছিলেন, শৈশবে সবরকম খেলনা আর যৌবনে রাজকুমারাচিত সকল উপকরণ দিয়ে বাঁধতে চেয়েছিলেন সিদ্ধার্থকে, না, না, যুগের বুদ্ধকে। সিদ্ধার্থের বাকি সব খেলনার মতোই এনেছিলেন যশোধরাকে, পুত্রের যৌবনের খেলনা হিসেবে; কিন্তু গৌতমী কিভাবে ভূলে গেলেন যে

৩৬ গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২১

বোধি

যশোধরা কোনো খেলনা নয়, এক রক্তমাংসের মানুষ। ছেলের কুষ্ঠিতে সন্যাসযোগ দেখেও কেন মেয়েটিকে বউ করে আনলেন তিনি? গৌতমী নিজেকে ধিক্কার দিলেন, পরক্ষণেই ভাবলেন, “না, না, ঠিকই করেছিলেন, নয়তো পৌত্র রাহুলের মুখও দেখা হতো না। সেই দেবশিশুটিই কপিলাবস্তুর ভবিষ্যত, যদিও সেই হতভাগ্য বালক পিতাকে মনেও করতে পারে না, আর মাতা অর্ধোন্মাদিনী।”

“দাসী প্রদীপ নিয়ে এস,” মহারাণীর কথা মতো দাসীরা প্রদীপ নিয়ে এলো। মুহুর্তে সেই অন্ধকার কক্ষ উদ্ভাসিত হয়ে উঠল হাজার দীপের আলোয়। গৌতমী হঠাৎ লক্ষ্য করলেন, প্রদীপের রোশনিতে যশোধরার কোনো প্রতিক্রিয়া হলো না। দাসী ফিসফিসিয়ে বলল, “রাজকুমারী

“থাক,” গৌতমী দাসীকে থামতে বললেন। তিনি যা বোঝার বুঝে গেছেন, আর এর উত্তর সিদ্ধার্থ মানে ভগবান বুদ্ধকে দিতে হবেই হবে। বুকে পাথর চাপা দিয়ে গৌতমী পাকশালে এলেন।

রাজ অন্তঃপুরের মতো পাকশালাটিও মহাপ্রজাপতি গৌতমীর অবাধ বিচরণক্ষেত্র, তবে, আজ প্রায় এক যুগ পরে বানালেন সিদ্ধার্থের প্রিয় মিষ্টান্ন, পলান্ন, পরমান্ন আর বহুবিধ শাকসজি। তাঁর কাজ শেষ হতে না হতেই নগরদ্বারে বাদ্য বেজে উঠল। দাসী খবর দিল, “ভগবান বুদ্ধ রাজদ্বারে

গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২১ ৩৭

বোধি

এসেছেন, তবে তিনি রাজবাটিতে প্রবেশ করবেন না।” গৌতমী বললেন, “রাজ উদ্যানেই আমি বুদ্ধ তাঁকে হারলে চলবে না।

গৌতমী বহুদিন পরে রাজ্ীবেশ পরলেন, দাসীদের আদেশ দিলেন সোনার পাত্রে খাদ্য সুশীতল জল নিয়ে তাঁর সাথে রাজোদ্যানে আসতে, যেখানে বুদ্ধ তাঁর বাণী দিচ্ছেন।

রাজকুমার সিদ্ধার্থও বহুদিন পর তাঁর পিতামাতাকে দেখলেন, কিন্তু তিন জানেন এরা তাঁর নশ্বরদেহের পিতামাতা, এই স্কুলদেহেরও ওপরে আছে এক পরম আধ্যাত্মজগত _ যাকে জানতে হলে মানতে হবে পঞ্চশীল, চলতে হবে সত্যের পথে অস্টাঙ্গিকমার্গ ধরে; পথ রাজকার্য্ের চেয়েও কঠিন। পিতাকে এতক্ষণ ধরে এসবই বোঝাচ্ছিলেন।

এমনই সময় হঠাৎ সামনে এলেন মাতা, তিনি খাবার এনেছেন। আগেও যেমন বিভিন্ন সুস্বাদু ভোজন দিয়ে আপ্যায়ন করতেন, আজও নিশ্চয়ই তাই করবেন। কিন্তু মাতার বুদ্ধসমীপে এমন সম্রাজ্জীবেশ কেন? আর ওর পাশে অবপ্তষ্ঠঘবতী এক নারীকে দাসী ধরে ধরে আনছেন কেন? বুদ্ধ হাসলেন, “হে মহাপ্রজাপতি গৌতমী, সোনার পাত্রে কেন পরমান্ন এনেছেন? আমাদের ভিক্ষুকদের জন্য বরাদ্দ

৩৮ গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২১

বোধি

মৃৎপাত্র,” বুদ্ধ তাঁর ভিক্ষাপাত্র দেখালেন, তাতে এক টুকরো

পোড়া আলু, “পথে এক মাতা ভিক্ষা দিয়েছিলেন।” গৌতমীর চোখে জল এলেও তিনি বললেন, “হে

তথাগত, আপনার এই ভিক্ষুক জীবনের মহানতা এক

নারী কিভাবে জানতে পারবে? নারী তো গৃহবন্দী। সঙ্ঞে

কি তার স্থান হবে?”

কৃচ্ছসাধন তার পথ নয়।”

“তাই নাকি?” গৌতমী বললেন, “আমি এমন এক নারীকে জানি যিনি বারো বছর এক ভিক্ষুকের চেয়েও কঠিন কৃচ্ছসাধন করেছেন।”

“কে তিনি? এমন নারী অবশ্যই বোধিলাভের যোগ্যা।

সেই অবপ্তষ্ঠনবতী নারী ধীর পায়ে এগিয়ে এসে বুদ্ধের চরণ কমল স্পর্শ করতেই এক ঝলক হাওয়ায় তার মস্তকাবরণ খসে গেল। অগনিত দীপের আলোয় উত্ভাসিত হলো এক পরিচিত মুখ, যশোধরা! সেই নারী তাঁর হরিণীর দেখবার বিফল চেষ্টা করলেন। বুদ্ধ বুঝলেন দীর্ঘ বারো বছর ধরে ক্রমাগত রোদনে নয়নদীপ নিভে গেছে যশোধরার, শত সহম্ত্র প্রদীপের আলোও আর যশোধরার চোখের আলো ফেরাতে পারবে না।

গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২১ ৩৯

বোধি

বুদ্ধ ধীর কণ্ঠে ঘোষণা করলেন, “নারীও বোধিলাভের যোগ্যা, বুদ্ধ, ধর্ম সজ্ঘবে আজ থেকে নর-নারী উভয়ই স্বাগত...”

গৌতমী হাসলেন, হাসলেন যশোধরাও। মানসচক্ষে যশোধরা দেখলেন নগরের শতসহত্র প্রদীপ কার্তিক অমাবস্যার নিগুঢ় অন্ধকারকে ভেদ করে জ্বালিয়ে তুলছে জ্ঞানের অপার্থিব আলো, আজ কপিলাবস্তুর দীপদান উৎসব সত্যিই সার্থক। (তথ্যসূত্র : গোতমী সুত্তো মহাভাস্তুর তথ্যের ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে এই এঁতিহাসিক কল্পকাহিনীটি)

ভ্জ্ডিহ্দেন মনের নো (0০8 সান্ধাতে 7 মলোথিছে

৮১০১9৮17 সাহাম্য নিন

শুঞ্জনে প্রতি মাসের ১৫ তারিখ পর্যস্তই পরের মাসের) সংখ্যার জন্য লেখা গ্রহণ করা হয়।

রি গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২১

1700105://৬1৬/%.811182,010.10/510/01061- 150175/8194223695/1675010-0110-75৬/7170091671077284001701

1017-19৬

ঠিকানাঃ আদি নাথ ব্রাদার্স, শ্যামাচরণ দে স্ট্রিট কলকাতা - ৭০০০৭৩ গু দূরভাষঃ +৯১ ৩৩ ২২৪১ ৯১৮৩

অনুরাগ বৃষ্টির হোঁয়া রিয়া মিত্র

কদৌড়ে রাস্তা থেকে বাসস্ট্যান্ডের শেডের তলায়

(৫৭ নল পল কম বৃষ্টিটা নেমেছে, পুরো ভিজে গেল ঠিকই কিন্তু

একটা সুবিধা হলো, চোখ দিয়ে যে অঝোর ধারায় জল পড়ছে, সেটা কারও চোখে পড়বে না। অবশ্য আশেপাশে সেরকম কেউ নেইও। শুধু একজন ছেলে বাইকটাকে স্ট্যান্ড করে তাড়াতাড়ি শেডের তলায় চলে এল। শর্মিলির কোনোদিকেই মন নেই, চোখটা ওর ঝাপসা হয়ে আসছে ক্ষণেক্ষণেই। এই মুহূর্তে কী করবে, কোথায় যাবে, ঠিক বুঝতে পারছেনা সে! অনুজের হাত ধরেই তো বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছিল। কিন্তু তার পরিণাম যে এতটা ভয়ঙ্কর হবে, তা ভাবতেই পারেনি সে। পূর্বপরিকল্পনা মতো বাড়ি থেকে লুকিয়ে এক কাপড়ে

বেরিয়ে এসেছিল সে। অনুজ প্ল্যাটফর্মে ওর জন্য অপেক্ষাই করছিল। ঠিক ছিল, দূরপাল্লার ট্রেনে চড়ে দুজনেই এখান থেকে অনেকটা দুরে চলে যাবে। সেইমতো চেপে বসেছিল ট্রেনে কিন্তু ঘটনার মোড়টা হঠাৎই অন্যদিকে ঘুরে গেল। একটা ফোন আসতেই অনুজ শর্মিলিকে বসিয়ে কথা বলতে দরজার সামনে উঠে গেল। বেশ কিছুক্ষণ অনুজ ফিরছে না ৪২ গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২১

অনুরাগ

দেখে শর্মিলি উঠে দরজার কাছে গেল। দরজার সামনে বাইরের দিকে তাকিয়ে অনুজ ফোনে কথা বলায় ব্যস্ত থাকায় ওর উপস্থিতিটা টের পায়নি। শর্মিলি ওকে ডাকতে যায় কিন্তু তার আগেই ওর কথা শুনে হোঁচট খায়, পায়ের তলা থেকে যেন মাটি সরে যায় ওর।

ফোন ধরে অনুজ তখন বলে চলেছে, “হ্যাঁ, হ্যাঁ, বেশ ভালো দাম পাবেন শর্মিলির। আমার কাজ আমি করে দিয়েছি, এবার ওকে বোম্বে পাচার করার দায়িত্ব আপনার আর আমার পার্সেন্টেজের কথাটাও মাথায় রাখবেন কিন্তু।” অনুজ ওকে দেখার আগেই তাড়াতাড়ি নিজের জায়গায় ফিরে এসে বসে পড়ে বিহ্বল শর্মিলি! অনুজ ফিরে এলেও কিছু আর বলতে পারেনা ও। শেষে সিদ্ধান্ত নেয়, যা হওয়ার হবে, বাবা-মায়ের কাছে ফিরে তো সে যেতে পারবেই না। কিন্তু এর হাত থেকে বাঁচার জন্য তাকে একবার শেষ চেষ্টা করতেই হবে। অবশেষে অনুজ ঘুমিয়ে পড়লে এই অজানা স্টেশনেই সে নেমে পড়ে। স্টেশন থেকে বেরিয়ে বাসস্ট্যান্ড অবধি আসতেই ঝমঝমিয়ে বৃষ্টিটা নেমে গেল।

দূরের ছোট টিলাপাহাড়টার মাথায় ঘনকালো মেঘ জমেছে। বর্ষা এসে গেছে, ভারতবর্ষের প্রথম বর্ধা কেরালার এই কালপেট্টা গ্রামেই আগে প্রবেশ করে। পাহাড়ি জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে মেঘটা এদিকে আসতে গিয়ে ঝমঝম্‌ করে ভাসিয়েই দিল চারপাশটা। নদীর কালোজলে বৃষ্টির

গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২০ ৪৩

অনুরাগ

কয়েকটা মাছরাঙা জলের মধ্যে ডুব দিয়ে মাছগ্ডলো মুখে নিয়েই উড়ে গেল আকাশের কালো মেঘের দিকে নদীর

বারান্দায় দাঁড়িয়ে একমনে বর্ষারাণীর মনভোলানো রূপ দেখছিল শর্মিলি। কৌশিকের ডাকে চমক ভাঙল, “দ্যাখো তো, কফিটা কেমন বানালাম?”

শর্মিলি কফিতে এক চুমুক দিয়ে হেসে বলল, “দাআরুউণণ ।”

কৌশিক ওর কপালে একটা চুম্বন করে বলল, “থ্যাঙ্ক ইউ।”

শর্মিলি ওর বুকে মাথা রেখে বলল, “সেদিন যদি তুমি না থাকতে, তাহলে জানিনা আমার কী হতো!”

কৌশিক ওকে জড়িয়ে ধরে ওর চুলে বিলি কাটতে কাটতে বলল, “বাসস্ট্যান্ডে তোমাকে প্রথম দেখেই ভালোবেসে ফেলেছিলাম, যাকে বলে, লাভ আ্যাট ফার্ট্ট সাইট। তারপর যখন তোমাকে কাঁদতে দেখে এগিয়ে গিয়ে কথা বললাম, তখন তো চোখের জল মুছতে মুছতে তুমি সবটাই বললে আমাকে সেদিনই চাকরিতে জয়েন করার জন্য কেরালা আসব আমি, তোমাকেও সঙ্গে আনার সিদ্ধান্ত নিলাম, তুমিও বিশ্বাস করে আমার হাত ধরলে আর তারপর

88৪ গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২১

অনুরাগ

এখন আমাদের চার বছরের সংসার হয়ে গেল।” শর্মিলি ওর বুকের মধ্যেই মুখটা গুঁজে বলল, “জীবন সত্যিই খুব

সুন্দর, কৌশিক ।” বাইরের তুমুল বৃষ্টির ছাট তখন ভিজিয়ে

দিচ্ছে দুটো শরীরকে... নর পড়ন, ডাউনলোড শেয়ার করুন আমাদের প্রকাশিত ই-বুক

উপাখ্যান আখ্যান মহাখ্যান ঢ২].: 1600://010111)09-111101000017.00111/05101/0771/ অক্ষরারঞ্জলি

ঢ২].:170005://011117.01101700015.00107/05210/05)0/ বাংলা ভাষা বাংলা ভাষী ঢা.: 17005://0101111০.0101701715.0017/095810/010011/

গুঞ্জন'এর ২০২১ এর অন্তিম সংখ্যার বিষয়বস্ত

গুঞ্জন - নভেম্বর ২০২১ 8৫

নিজের মাস্কটা ঠিক করে পড়ুন

[00108505000 58108505550

নিয়মিত হাত ধোয়া এবং স্যানিটাইজারের চ0:55055155900595058 নিজে সুস্থ থাকুন, সবাইকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করুন।

ঘা

9551118১(5110181218:0511111

৪756 8678 1867517267১, [5751977158১ 081175

/৯০০0901)(910%, (95901176 101 11091955101781 €-0001595 27661177661) 74ট৫1 2651111151৮

ছা 6ট,$১0117551111878515157562115

$6111৮-851751৮৮1 8৮8 85)5৮5 6)$711688|

80510186111 1578 50111110115৮-111 8০111111581), 128211110)8 01115111757

১শ8111111111111,110175286741111 85111 ৬1: 791 93222286831 ৬৬1)9(54৯1)]1): +91 777১99১3977